১২-নভেম্বর-২০১৩
অনেক কিছু হওয়ার ছিল, কিছুই হল না। শুধু দুঃখ নিয়ে থাকা। অবিন্যস্ত জীবন। ছন্নছাড়া হাহুতাশ! এভাবে বেঁচে থাকা ‘দিনগত পাপক্ষয়’ কথার সার্থক।
অনেক কিছু হওয়ার ছিল, কিছুই হল না। শুধু দুঃখ নিয়ে থাকা। অবিন্যস্ত জীবন। ছন্নছাড়া হাহুতাশ! এভাবে বেঁচে থাকা ‘দিনগত পাপক্ষয়’ কথার সার্থক।
ল্যাং
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
ডান কানটা বিগ্ড়ে গেলেও
বাঁ কানটা আছে
তাইতে ধরছি কে এবং কী
ছাড়ছে ঢাড়ে-কাছে-
‘আপনি, মশাই, গেছেন বদ্লে
বদ্লে গেছেন ছি ছি
২রা নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৪:২৫
মনখারাপ এর সংজ্ঞা কি? দারুণ কিছু লিখতে চাই। উদ্ভট কিম্ভূত যাই হোক না কেন! লেখা অনেক কঠিন। এখন দিনগত পাপক্ষয় ফ্যাকাশে। সোনালি দিন বলে কি কিছু হয়? কে জানে? কত ভাবনা আসে, লিখতে গেলেই তা উধাও। বই পড়া এখন আস্তাকুঁড়। নিজের কথা লেখা সবচেয়ে কঠিন। কঠিন – লক্ষ্যহীন বেঁচে থাকা। কেউ বলেছে সুখী মানুষেরা কম ঘুমায়। দুঃখ কি এক ধরণের অবসাদ। আগে লেখকরা টাইপ রাইটার এ লিখত। এখন sms এবং facebook. এরপর কি? কবিতা লিখতে পারলাম না। গল্পের প্লট মাথায় আসে, শেষটা ভেবে পাই না। পেশাদার লেখক, এক নির্দিষ্ট সময় ধরে লেখে। গজদন্তমিনার এ বাস করা সহজ। কিন্তু বসবাস করা ততোধিক কঠিন। সন্ধ্যা নামলে কিঞ্চিৎ তরলিত হওয়ার ভাবনা কোথা থেকে উড়ে আসে। ছাড়ালে না ছাড়ে কি করিব তারে। কবি অনেক ভাবনার খোরাক দিয়ে গেছে। শুধু অপেক্ষা। সবাইকে খারাপ করা কি উদ্দেশ্য। নিশ্চয় নয়, তবু নয়ছয়। কথা ব্রহ্ম। তাই কি বোবা শত্রুহীন। দূর দিগন্ত। আশা। নিরাশা যেন নিত্যসঙ্গী। কেমন ছন্নছাড়া। কেন? কেন? কোথায় লুকিয়ে থাকে জীবনের যন্ত্রণা। কিভাবেই বা পাওয়া যায় মুক্তি। অলীক চিন্তার ফল কি সুদূরপ্রসারী। কে জানে, কিসে কি হয়। জানা যায় না, চিতার আগুনের লকলকে জিভকে। আর জানা যায় না, মাথামুণ্ডু আবোলতাবোল। লেখক শ্রেষ্ঠ কে? সবাই যেন সরেস। কবিতা কি ইউটোপিয়ায় স্থান পাবে? কবি তো ব্রাত্য। গ্রীক দের দর্শন কি শ্রেষ্ঠ? রাসিয়ান সাহিত্য কিন্তু অনবদ্য। লেখা গেল অনেকটা। কিমাকার। আবোলতাবোল। এভাবেই, পাওয়া যাবে রহস্যঘন নীরবতা। শুরু যখন হল, শেষ যেন অশেষ।
Tuesday, November04,2014 18:34
গান এক অত্যাশ্চর্য এক সৃষ্টি, যা হৃদয়ে ছাপ ফেলে অনুরণন করে। অনেকক্ষণ গুনগুন। সে যে গান শুনিয়েছিল হয়নি সেদিন শোনা সে গানের পরশ পেয়ে হৃদয় হল সোনা।
Thursday, November 06-2014, 20:30
অনেক কথা মনে আসে, লেখা অনেক কঠিন। প্রাত্যহিক জীবন যাপন অথবা অন্য কিছু। ব্যক্তিত্বর লড়াই। এগুলো কঠিন কথা। যেভাবে হোক নিজেকে আবার খুঁজে পেতে হবে। এভাবে কী নিজেকে কি খুঁজে পাওয়া যাবে? কে জানে? জানার কী দরকার! যাই হোক শুরুটা হোক। শেষ কবে কে দেখেছে। আমি আবার শিব-এর বচন অনুযায়ী শেষটা খুব খারাপ। Mobile নিয়ে রাতে উদ্ভট আচরণ। কতদিন চলবে? কে জানে?
21:36 Friday, November 07, 2014
কত কিছু ভাবার উপাদান। অঙ্ক মেলেনি। মেলে কী কখনো? কে জানে? আর জানার ইচ্ছে উবে যায়। হয়তো শেষ মৃত্যু কে দেখা।